বাংলা ডেস্ক

অন্যকে জানাতে পারেন:

ছবি: ইন্টারনেট

টকদই সুস্বাদু না হলেও বহুগুণে ভরপুর। মিষ্টি দই মুখরোচক খাবার বলেই আমদের ভালোলাগার খাবারের তালিকায় এটাকে রাখি। টকদই ঠিক এর উল্টো, আর তাই আমরা টকদই এড়িয়ে চলি। কিন্তু আপনি জানেন কি? টকদই আপনার বিভিন্ন রকমের সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। নিয়মিত ঔষধ খেয়েও যে সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান পাচ্ছেন না, মাত্র এক কাপ টকদই আপনাকে সেই সমস্যার হাত থেকে বাঁচাবে। তাহলে জেনে নিন টকদই এর কিছু উপকারিতা।  

(১) দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায়:
টকদইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিণ। আর এই দুই উপাদান আমাদের দাঁত ও মাড়িকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। 

(২) রক্তের কলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখে:
টকদইয়ে ফ্যাট কম থাকায় রক্তের ক্ষতিকর কলেস্টোরল ‘এলডিএল’ হ্রাস করে। 

(৩) হজম সমস্যা দূর করে:
বদহজম দূর করতে টকদইয়ের এনজাইম সহায়তা করে। এছাড়াও টকদই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। 

(৪) উচ্চরক্তচাপের সমস্যা দূর করে:
২০১২ তে অ্যামেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের হাই ব্লাড প্রেসার রিসার্চের গবেষনায় পাওয়া যায় প্রতিদিন ১ কাপ টকদই খেলে উচ্চরক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। 

(৫) ইষ্ট ইনফেকশন প্রতিরোধ করে:
টকদইয়ের ল্যাক্টোব্যাসিলাস অ্যাসিডোফিলাস ইষ্ট ইনফেকশন ধ্বংস করতে সহায়তা করে। ইষ্ট ইনফেকশন প্রতিরোধে প্রতিদিন ৬ আউন্স টকদই খান। 

(৬) হাড়ের সমস্যা দূর করে:
টকদইয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’, যা আমাদের হাড় গঠন মজবুত করতে সহায়তা করে। হাড়ের নানা সমস্যা জনিত রোগ প্রতিরোধে টকদইয়ের জুড়ি নেই। 

(৭) কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে:
টকদইয়ে রয়েছে ল্যাক্টোব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়া। আর এটি কোলনে ভালো ব্যাক্টেরিয়া বাড়ায় যা কোলনের প্রতিরক্ষায় কাজ করে এবং খারাপ মাইক্রোঅর্গানিজম ধ্বংশ করে। 

প্রয়োজনীয় কিছু টিপস:
টকদই এর স্বাদ ভালো না হওয়ায় এটি শুধু শুধু খাওয়াটা অনেকটাই কষ্টের। তাই আপনি চাইলে টকদইয়ের সাথে আপনার পছন্দমত ফল মিশিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া টকদইয়ের সল্টেড লাচ্ছি তৈরী করেও খেতে পারেন।

বাংলা/টিএ/আরএইচ

আপনার মন্তব্য

advertisement

advertisement