বিদেশ ডেস্ক

অন্যকে জানাতে পারেন:

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। ছবি: সংগৃহীত

উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ইকুয়েডরের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। অস্ট্রেলীয় বংশোদ্ভূত অ্যাসাঞ্জ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বহু অতি গোপনীয় নথি উইকিলিকসে ফাঁস করে দিয়ে ঝড় তোলেন।

এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ইকুয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাসাঞ্জের নাগরিকত্বের বিষয়ে জানান।

সুইডেনে দুই নারীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ২০১২ সালের জুনে মামলা হয় অ্যাসাঞ্জের নামে। তারপর থেকেই লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেন অ্যাসাঞ্জ। এরপর থেকে তিনি সেখানেই আছেন। তবে অ্যাসাঞ্জ এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন শুরু থেকেই।

তার আশঙ্কা, সুইডেনে গেলে দেশটির সরকার তাকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে তুলে দেবে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র তাকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেবে। এ অবস্থায় ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে বের হলে সুইডেন বা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে তুলে না দেওয়ার নিশ্চয়তা চান অ্যাসাঞ্জ।

উইকিলিকসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে বের করে দিতে চাপ দিচ্ছে। সম্প্রতি অ্যাসাঞ্জের ‘বন্দিদশা’ অবসানের জন্য আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা চায় ইকুয়েডর।

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দা এসপানিসো বলেন, আমাদের দূতাবাস থেকে বের হলে গ্রেপ্তার হতে পারেন- এই ভয়ে সাড়ে পাঁচ বছর ধরে অ্যাসাঞ্জের এমন মানবেতর অবস্থা ‘সমর্থনযোগ্য’ নয়। আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় এর অবসান হওয়া উচিত।

ইকুয়েডর এখন তৃতীয় কোনো দেশের সন্ধান করছে, যারা অ্যাসাঞ্জ ইস্যুটি নিয়ে চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছতে সহায়তা করবে। আন্তর্জাতিক ও যুক্তরাজ্যের সহায়তা ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সমাধান আসবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে ইকুয়েডরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাজ্য।

আপনার মন্তব্য

advertisement

advertisement