নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্যকে জানাতে পারেন:

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনীর দেশীয় সবচেয়ে বড় আসর ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। ২৩তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজনে এবারই প্রথমবারের মতো কয়েদিদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে হাজির হয়েছে 'কারা পন্য'। এ প্যাভিলিয়নে বিক্রি হচ্ছে জেলখানায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের বানানো পণ্য।

এখানে সুলভ মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে পুঁতি, তাঁত, পাট, বাঁশ, কাঠ, প্লাস্টিকের তৈরি পণ্যের পাশাপাশি থাকছে খাদ্যসামগ্রী। 

'কারা পণ্য' প্যাভিলিয়নের দায়িত্বে থাকা চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মো. জাবেদ বাংলা ডট রিপোর্টকে বলেন, কারাগারে থাকা বন্দি কয়েদিরাই বানাচ্ছে এই সব পণ্য। প্রশিক্ষণ দিয়ে পণ্য উৎপাদনে যুক্ত করা হচ্ছে তাদের। আর কয়েদিদের এই কাজের জন্য তারা 'রেয়াত' পাচ্ছেন। পাশাপাশি কয়েদিরা কারাগার থেকে মুক্ত হলেও যেন কাজের মধ্যে যুক্ত থাকতে পারে। এতে করে তাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতাও কমে আসবে।

আমরা প্রথমবারের মত বাণিজ্য মেলায় অংশ নিয়েছি। এখান থেকে সাড়াও পাচ্ছি। এ প্যাভিলিয়নে দেশের ৯টি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আসা পণ্যের মধ্যে বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্য ক্রেতাদের বেশ নজর কেড়েছে। প্রতিটি মোড়া ৬০০ থেকে ৮৫০ টাকা, সিংহাসন চেয়ার আড়াই হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা, কুলা ও চালনি, টিসু বক্স ১০০ থেকে ৩০০ টাকা, ফুল ও ফলের ঝুড়ি ১০০ থেকে ২৫০ টাকা। এছাড়াও ২০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে গেঞ্জি ও টিশার্ট পাওয়া যাচ্ছে। নকশিকাঁথা আড়াই হাজার থেকে ৪ হাজার, বুটিক ও বাটিকের থ্রিপিস ৫০০ থেকে দেড় হাজার টাকা, গামছা ও লুঙ্গি ২০০ থেকে ৫০০ টাকা। পাটের তৈরি বিভিন্ন ধরনের ব্যাগের দাম ১২০ থেকে ৩৫০ টাকা। হস্তশিল্পের পুঁতি দানার ব্যাগ, পার্টস ব্যাগ, নৌকা, ফুল ও ফলদানি, টিসু বক্স, শোপিসসহ নানা পণ্য রয়েছে এ প্যাভিলিয়নে। কয়েদিদের কাঠের তৈরি খাট ২২ হাজার টাকা, আলমারি ও ওয়ার্ডরোব ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা ও ড্রেসিং টেবিল ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া আরও বিভিন্ন ধরনের আসবাব পণ্য রয়েছে। 

এ কর্মকর্তা আরও বলেন, আগামীতে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির মুনাফার ৩টি ভাগ করা হবে যার একটি অংশ কয়েদিরাও পাবেন।

আপনার মন্তব্য

Daraz Bangla New Year
advertisement

advertisement
advertisement