অন্যকে জানাতে পারেন:

প্রতীকী ছবি

মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। ইহকালের এক জীবনে তাই মানুষের ভালো থাকার প্রচেষ্টার কোন কমতি নেই। ভালো থাকতে গেলে ভালোভাবে লেখাপড়া করতে হবে, ভাল ফলাফল করে ভালো একটা চাকরি করতে হবে এটাই শতকরা আশিভাগ মানুষের কামনা। কিন্তু এই ভালো থাকতে গিয়ে পরীক্ষায় নকল করে পাশ করে সার্টিফিকেট অর্জন করে তারপর চাকরি করলে সেই উপার্জন কি বৈধ হবে না অবৈধ হবে এ বিষয়ে অনেকেরই জানা নেই।

এমনই প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

প্রশ্ন: যারা পরীক্ষায় নকল করে পাস করে সার্টিফিকেট অর্জন করে এবং এই সার্টিফিকেট ব্যবহার করে চাকরি পায়, তাঁদের চাকরি থেকে প্রাপ্ত উপার্জন কি বৈধ হবে?

উত্তর: নকল করা ইসলামে হারাম। পরীক্ষাতে নকল যদি কেউ করে থাকেন, তাহলে তিনি হারাম কাজ করেছেন। এই হারাম কাজ করার জন্য তিনি বড় ধরনের গুনাহগার হবেন। তাই তাঁর এই কাজটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং শুদ্ধ নয়।

কিন্তু তিনি যদি চাকরি করেন এবং বৈধভাবে যদি চাকরির বেতন গ্রহণ করেন, তাহলে তাঁর এই চাকরির উপার্জন তার জন্য হালাল। চাকরির উপার্জন হালাল কিন্তু ওই নকল করে পাস করাটা হারাম, এর জন্য তিনি গুনাহগার হবেন। এ থেকে মুক্তির জন্য তাঁকে তওবা করতে হবে।

আপনার মন্তব্য

advertisement

advertisement