নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্যকে জানাতে পারেন:

প্রতীকী ছবি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আরবি বিষয়ের প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রাইভেট শিক্ষক মাওলানা ফরিদ মাহমুদকে (২৫) গতকাল রাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে ধর্ষণের শিকার ওই কলেজ ছাত্রী বাদী সোমবার রাতে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। আজ মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ফরিদ মাহমুদ উপজেলার বাবুরহাট গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে।

মঠবাড়িয়া থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট উপজেলার পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে কামিল শিক্ষার্থী মাওলানা ফরিদ আরবি পড়ানো শুরু করেন। দীর্ঘদিন পড়ানোর একপর্যায়ে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন ফরিদ। একপর্যায়ে ফরিদ ওই ছাত্রীকে খুলনায় নিয়ে ইসলাম শরিয়া মতে বিয়ে করেন। বিয়ের দুই মাস পর ও কলেজ ছাত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন ফরিদ। বিষয়টি জানতে পেরে কলেজ ছাত্রী প্রতিবাদ জানালে প্রতারক ফরিদ তাকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন।

মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল আমীন বিপিএম জানান, ওই কলেজ ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আজ মঙ্গলবার দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং গ্রেপ্তার ফরিদকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।   

আপনার মন্তব্য