বাংলা ডেস্ক

অন্যকে জানাতে পারেন:

symbol of cancer
প্রতীকী ছবি

ক্যান্সার এক আতঙ্কের নাম। আমাদের দেশেও নাক, গলা ও মুখের ক্যান্সারের রোগীর সংখ্যা নিতান্তই কম নয়। জিহ্বা, টনসিল, নাক, সাইনাস, খাদ্যনালি, শ্বাসনালি, স্বরযন্ত্র, থাইরয়েড ও লালা গ্রন্থিতে ক্যান্সার হতে পারে। দুঃখজনক হলেও সত্য, বেশিরভাগ রোগী রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে আসেন না। তবে প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে এই মরণ ব্যাধি এড়ানো সম্ভব।

নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে :

* মুখের ভেতর ঘা ১-২ সপ্তাহের মধ্যে চলে না গেলে।

* খাবার গিলতে অসুবিধা হলে, যা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পরও সারে না।

* নাক দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হলে এবং এর মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকলে।

* শ্বাসের সমস্যা ও কাশি দিনের পর দিন বাড়তে থাকলে।

* গলা ফোলা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পরও না কমে বাড়তে থাকলে।

* গলার স্বর বসে গেলে, যা চিকিৎসাতেও সারে না।

জেনে রাখা ভালো

পান-সুপারি, জর্দা, চুন-খয়ের, তামাক পাতা একদম খাওয়া উচিত নয়। এগুলো মুখগহ্বর ও জিহ্বার ক্যান্সারের জন্য বিশেষভাবে দায়ী। ধূমপান শুধু ধূমপায়ীদের নয়, যারা করেন না তাদের জন্যও ক্ষতিকারক।

বায়ুমণ্ডলের দূষণ রোধ করার চেষ্টা করা উচিত এবং মুখগহ্বর ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।

লেখক : অধ্যাপক ডা. জাহীর আল-আমিন

নাক, কান, গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

ইমপালস হাসপাতাল, তেজগাঁও ঢাকা।

আপনার মন্তব্য

advertisement