ক্রীড়া ডেস্ক

অন্যকে জানাতে পারেন:

ছবি: সংগৃহীত

৭ উইকেটে ৩০৬ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ। শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছিল টাইগার বোলাররা। তাতে প্রস্তুতি ম্যাচে ৪ উইকেটে ১০৬ রান নিয়ে লাঞ্চে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশ। দ্বিতীয় সেশনে প্রতিপক্ষের আরো ২ উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। আগের সেশনের চেয়ে ১ উইকেট কম। তবে টাইগার বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের মুখে রানের চাকা সচল রাখতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশ। দ্বিতীয় সেশনে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৭৯ রান যোগ করেছে স্কোর বোর্ডে। তাতে ৬ উইকেটে ১৮৫ রান নিয়ে চা বিরতিতে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশ। বিরতির পর এখন শেষ সেশনের খেলা চলছে।

আগের দিনের ১ উইকেটে ২১ রান নিয়ে শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশ। বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ৩০৬ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল। ব্যাটিংয়ের পর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বোলিংয়ে একমাত্র সাফল্যটি পায় রান আউট থেকে। আইজ্যাক ডিকগেলেকে রান আউট করেন সাব্বির রহমান। শুক্রবার সকালেই আসে সাফল্য। ৩৬ রানের মধ্যে আরো ২ উইকেট তুলে নেয় টাইগার বোলাররা। ইয়াসিন ভালিকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন শুভাশিষ রায়। এরপর ডু প্লয়কে কিপার লিটন দাসের হাতে ক্যাচ বানান শফিউল ইসলাম। দলীয় ৮৯ রানে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের চতুর্থ উইকেট। এবার উইকেট শিকারি মোস্তাফিজুর রহমান। হেনরিক ক্লেসেনকে ব্যাক্তিগত ১৬ রানে মুমিনুলের হাতে ক্যাচ বানান দ্যা ফিজ।

লাঞ্চের পর ফিরেই ফের উইকেটের পতন স্বগতিক দলের। ৬০ রান করা জুবায়ের হামজাকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। এরপর ৫৮ রানের জুটি গড়ে আফ্রিকার দলটি। ম্যাথু ব্রিটজকেকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙ্গেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান, শুভাশিষ রায়, শফিউল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ১টি করে উইকেট নিয়েছেন। বোলিং প্রস্তুতিটা টাইগারদের দারুণই হচ্ছে বলতে হবে।

আপনার মন্তব্য

advertisement